,

শিরোনাম :
আশুগঞ্জে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি করছে প্রাণিসম্পদ দপ্তর হেফাজতের উপর ভর করে হামলা করেছে বিএনপি-জামাত ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের মানববন্ধন, হেফাজতের সকল সংবাদ বর্জনের ঘোষণা  আশুগঞ্জে হরতালে সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করলেন শিউলি আজাদ এমপি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হরতাল : সংঘর্ষ, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ, নিহত আরো ৪ স্বেচ্ছায় রক্তদানে সকলকে উৎসাহী করে তুলতে হবে : অরবিন্দ বিশ্বাস চট্টগ্রাম বিভাগীয় জয়িতা নির্বাচিত হওয়ায় নিশাত সুলতানাকে সংবর্ধনা দিল ‘আশার আলো’ আশুগঞ্জে ১শ ১০ পাউন্ডের বিশাল কেক কেটে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী পালন মেঘনা নদী দখল করে এপিসিএল এর বালু ভরাটের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সায়েদুল হক মাস্টারের ইন্তেকাল

জীবনের শেষ সময়ে এসে সরকার ও বিত্তবানদের সহযোগিতা চান দৃষ্টি প্রতিবন্ধী চিত্তরঞ্জন

বাবুল শিকদার : কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব পঞ্চবটির বাসিন্দা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী চিত্তরঞ্জন হালদার। বর্তমান বয়স ৬৮ বছর। বিগত চল্লিশ বছর ধরে ভিক্ষাবৃত্তিই তার জীবিকা নির্বাহের একমাত্র উৎস। ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার রামপুর গ্রামের মৃত গোপাল চন্দ্র হালদারের ছেলে চিত্তরঞ্জন হালদার।
১৯৭৬ সালে অন্ধ স্কুল থেকে এসএসসি পাস করলেও ভাগ্য ফেরেনি চিত্তরঞ্জনের। ১৯৮৮ সালে শ্রীমতি রমলা হালদারের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। এর পর স্ত্রীকে নিয়ে চলে আসেন ভৈরবে। সে থেকেই ভৈরবের পঞ্চবটি গ্রামে বসবাস তার। স্ত্রী রমলা হালদারের কাঁধে হাত রেখে লালনগীতি ও ইসলামী গজল গেয়ে পথে পথে ভিক্ষা করে জীবনের মূল্যবান চল্লিশটি বছর কাটিয়ে দিলেন এই ভাগ্যাহত অন্ধ।


এরইমধ্যে এই প্রতিবন্ধি দম্পতি একটি পূত্র সন্তান লাভ করলেও ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে সেও হয় প্রতিবন্ধি। বাবা মা ভিক্ষাবৃত্তি করে কষ্ট করে নবম শ্রেণী পর্যন্ত লিখা পড়া করালেও বুদ্ধি প্রতিবন্ধি হওয়ায় তাকে কোন কাজে লাগানো সম্ভব হয়নি। উল্টো প্রতিবন্ধি পিতা মাতার উপরই নির্ভর থাকতে হয় ছেলেকে।
চিত্তরঞ্জন বলেন, আমি অন্ধ স্কুল থেকে পড়াশুনা করেও ভিক্ষাবৃত্তি করে জীবিকা নির্বাহ করছি। কোন সময় মানুষের কাছে বড় কোন সহযোগিতা চাইনি।
সরকারীভাবে সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে প্রতিবন্ধী ভাতা পেলেও তাতে তার জীবিকা চলছেনা। তাই জীবনের শেষ সময়ে এসে সরকার ও সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা চান তিনি।

     এ ক্যটাগরীর আরো সংবাদ