,

শিরোনাম :
আশুগঞ্জে বিআইডব্লিও টিএ’র উচ্ছদ অভিযান ৪ শতাধিক শীতার্তদের পাশে মজিদ-নাহার ফাউন্ডেশন জামাল মুন্সি হত্যার ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যানসহ ২৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা মুজিববর্ষে শেখ হাসিনার উপহার, নাসিরনগরে ৯১ গৃহহীনপরিবারকে ঘর হস্তান্তর মুজিববর্ষে মাথা গোঁজার ঠাঁই পেলেন আশুগঞ্জের ৬৮টি গৃহহীন পরিবার প্রধানমন্ত্রীর ঘর পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ১ হাজার ৯১ জন ভূমি ও গৃহহীন পরিবার প্রেস ক্লাব এবং গনমাধ্যমকর্মীরা সরকারের গুরুত্বপূর্ণ অংশ : বিভাগীয় কমিশনার প্রতিপক্ষের হামলায় উপজেলা চেয়ারম্যানের ভাই নিহত ঈসা খানের শূণ্যতা পূরণ হবার নয় : স্বরণ সভায় বক্তারা লালপুর প্রবাসীকল্যাণ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শারীরিক অক্ষমদের সহায়তা

থার্টি ফার্স্ট নাইটে হাসপাতালে গান-বাজনা ও আতশবাজি ফাটালেন চিকিৎসকরা

স্টাফ রিপোর্টার : থার্টি ফার্স্ট নাইট উদযাপন উপলক্ষে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতাল ভবনের অভ্যন্তওে উচ্চ আওয়াজের সাউন্ড সিস্টেম ব্যবহার করে গান-বাজনা ও আতশবাজি ফাটিয়ে উল্লাস করেছে হামপতালটির চিকিৎসকরা। মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ৮টা থেকে ১০টা পর্যন্ত হাসপাতালের বহির্বিভাগের সামনে চলে গান-বাজনা ও আতশবাজি ফুটনোর উল্লাস। এতে দুর্ভোগে পড়েন হাসপাতালে চিকিৎসারত রোগীরা। এতে করে কড়া সমালোচনার মুখে পড়েছেন চিকিৎসকরা। অধিকন্তু এ ধরনের গান-বাজনা আর আতশবাজির ব্যাপারে স্থানীয় পুলিশ বা সিভিল প্রশাসনকে কিছুই জানায়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
জানা যায়, বছরের শেষ দিন উদযাপন এবং চিকিৎসকদের চিত্ত বিনোদনের জন্য গান-বাজনার আসর, ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্ট ও পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়। আর এই পুরো আয়োজনে স্পন্সর করে ওষুধ কোম্পানি হেলথ কেয়ার ফার্মাসিউটিক্যাল। এতে অংশ নেন হাসপাতালের চিকিৎসক ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। এছাড়াও হাসপাতালের অভ্যন্তরে আতশবাজি ফাটিয়ে আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠেন চিকিৎসকরা।
হাসপাতালের বহির্বিভাগের ফটকের সামনের সিঁড়িতে গান-বাজনার মঞ্চ বসানো হয়। চিকিৎসকদের চিত্ত বিনোদনের এ আসরে যোগ দেন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সিভিল সার্জন ডা. মো. শাহ আলম, জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. শওকত হোসেন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের সভাপতি ডা. মো. আবু সাঈদ।
হাসপাতাল ভবনের অভ্যন্তরে গান-বাজনা ও আতশবাজি ফোটানোর কারণে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে রোগীদের। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা চলছে। হাসপাতালের অভ্যন্তরে রোগীদের দুর্ভোগ সৃষ্টি করে এমন উৎসব আয়োজনের বিষয়টিকে কাণ্ডজ্ঞানহীন বলে মনে করছেন নাগরিক সংগঠনের নেতারা।
এ ব্যাপারে হেলথ কেয়ার ফার্মাসিউটিক্যালের আঞ্চলিক বিক্রয় ব্যবস্থাপক রেজাউল করিম বলেন, এটা সদর হাসপাতালের অনুষ্ঠান ছিল। আমরা শুধু স্পন্সর করেছি। হাসপাতালের ভেতরে অনুষ্ঠানের অনুমোদন ছিল কি-না সেটা তত্ত্বাবধায়ক এবং সিভিল সার্জন জানেন।
তবে জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. শওকত হোসেন বলেন, চিকিৎসকরাও মানুষ। তাদেরও রিফ্রেশমেন্টের দরকার আছে। তাই অনুষ্ঠানে সবাই অংশগ্রহণ করেছিল। তবে গান-বাজনার আয়োজনের বিষয়টি জানা ছিল না বলে উল্লেখ করেন তিনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন বলেন, অনুষ্ঠান করার জন্য আমাদের কাছ থেকে কোনো অনুমতি নেয়া হয়নি। হাসপাতালে অনুষ্ঠানের খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠিয়ে অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বলা হয়। পরে তারা অনুষ্ঠান বন্ধ করে দেন।

     এ ক্যটাগরীর আরো সংবাদ