,

প্রতি বছর পহেলা বৈশাখে বাঙ্গালির প্রাণের উৎসবকে ঘিরে মেঘনার দু’প্রান্তে থাকত হাজারো মানুষের উচ্ছাসিত ভীর। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির জন্য এবার সব ফাঁকা। ছবি : লোকমান হোসেন।

ক্যালেন্ডারের পাতা না উল্টালে কেউ টেরই পাবেন না আজ পহেলা বৈশাখ

স্টাফ রিপোর্টার : জনশূন্য মেঘনা নদীর উপর নির্মিত সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেতুর দু’প্রান্ত। চারিদিকে সুনসান নীরবতা। একেবারেই যেন অচেনা। কোনো কোলাহল নেই। সেতুর আশুগঞ্জ ও ভৈরব দু’প্রান্তের এপ্রোজ রোডসহ মহাসড়ক একদম ফাঁকা। প্রাণঘাতি করোনা ঠেকাতে দুই জেলাতেই চলছে লকডাউন। অথচ প্রতি বছর পহেলা বৈশাখে বাঙ্গালির প্রাণের উৎসবকে ঘিরে মেঘনার দু’প্রান্তে থাকত হাজারো মানুষের উচ্ছাসিত ভীর। দু পাশেই জমে উঠত বেশাখি মেলা ও বান্নিসহ বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানমালা।
নভেল ভাইরাস করোনার কারণে আতঙ্কে দেশবাসী। তাই বর্ষবরণের প্রস্তুতিও নেই। হাজার ছাড়িয়ে লাখো মানুষের আয়োজনও এবছর নেই। মেঘনা পাড়ে  নেই কোনো লোকজন। লকডাউন বাস্তবায়নে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ঘিরে রেখেছে মেঘনার দু’পাড়।
ক্যালেন্ডারের পাতা না উল্টালে কেউ টেরই পাবেন না আজ পহেলা বৈশাখ।
এ বছর বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়া মারাত্মক সংক্রামক ব্যাধি করোনাভাইরাসের সংক্রমণরোধে সরকারিভাবে জনসমাগম ঘটিয়ে বাংলা নববর্ষকে বরণ করে নেয়ার সকল ধরনের অনুষ্ঠান পালনে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে। নববর্ষ উপলক্ষে গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বৈশ্বিক দুর্যোগ করোনা পরিস্থিতির কারণে সবাইকে ঘরেই নববর্ষ পালনের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
নববর্ষ পালনে এবছর কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজন নেই। নেই শত কন্ঠের গান ‘মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা/অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা’।
এ বছর ডিজিটালি বর্ষবরণের অনুষ্ঠান আয়োজনে প্রধানমন্ত্রীর ডাকে সাড়া দিয়ে ‘উৎসব নয়, সময় এখন দুর্যোগ প্রতিরোধের’- এ প্রতিপাদ্যে এ বর্ষবরণের আয়োজন করা হয়েছে। নেই মঙ্গল শোভাযাত্রা ও পান্তা ইলিশের আয়োজন। শিশুদের কাঁধে নিয়ে বাবা-মায়েদের ঘুরে বেড়াতেও দেখা যাচ্ছে না।

     এ ক্যটাগরীর আরো সংবাদ