,

শিরোনাম :
সরাইলে বিদ্যুতের দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ সরাইলে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কসবায় যুবদলের আহবায়ক কমিটি বাতিলে ৭দিনের আল্টিমেটাম পদবঞ্চিতদের মেঘনার ভাঙ্গনে পাল্টে যাচ্ছে নবীনগরের মানচিত্র সরাইলে সালিশের রায় উপেক্ষো করে বাড়ি কিনে দখলের চেষ্টায় এলাকায় উত্তেজনা কসবায় সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি যুবলীগ নেতার, প্রতিবাদে সাংবাদিকদের মানববন্ধন বিজয়নগরে চুরি করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু সরাইলে ২ গ্রামবাসীর সংঘর্ষে আহত ১০ ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্নকরণ অভিযানে বাধা, প্রকৌশলীর উপর হামলার চেষ্টা পরীমণিকে দফায় দফায় রিমান্ড : ক্ষমা চাইলেন ২ বিচারক

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংক্রমণ বাড়ছেই, চালু হয়নি সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট

আশিকুর রহমান মিঠু : ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে চলেছে। ঈদুল আযহার আগে এই সংক্রমণের হার ১০শতাংশ থাকলেও এখন সংক্রমণের হার ৪০ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে। শুক্রবার (৩০জুলাই) পর্যন্ত জেলায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৯৮জন। আর আক্রান্তের সংখ্যা ৭হাজার ৫৮৭জন।

এদিকে করোনা ডেডিকেটেড ২৫০শয্যাবিশিষ্ট ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের আইসোলেশন ইউনিট এখন রোগীতে পরিপূর্ণ। ভর্তিকৃত রোগীদের প্রায় সবারই অক্সিজেনের প্রয়োজন হচ্ছে। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সংকট দেখা দিয়েছে অক্সিজেনের। তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এখনও পর্যন্ত সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট চালু করা যায়নি।

জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের জন্য জেলার সরকারি-বেসরকারি হাসপাতালগুলোতে ২৩৯টি শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ৭৫টি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০০টি শয্যা রয়েছে। আর বাকিগুলো বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।

তবে জেলার একমাত্র করোনা ডেডিকেটেড ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে এখনও চালু হয়নি সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যান্ট। গত বছরের ২৬ নভেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালসহ সারাদেশের ৩০টি হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন প্ল্যন্ট স্থাপনের উদ্যোগ নেয়া হয়। পরে ১৪ ডিসেম্বর অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনের বিষয়ে সহযোগীতার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ককে সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে চিঠি দেওয়া হয়। এরপর হাসপাতালের ভেতরেই অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ শুরু করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান স্পেক্ট্রা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেড।

কিন্তু এখনও পর্যন্ত কাজ পুরোপুরি শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। এর ফলে আইসোলেশন ইউনিটে ভর্তিকৃত রোগীদের নিবিচ্ছন্ন অক্সিজেন সেবা দেওয়া যাচ্ছে না। এছাড়া আক্রান্ত রোগীর ফুসফুস কত শতাংশ পর্যন্ত সংক্রমিত হয়েছে, সেটি জানার জন্য সিটি স্ক্যান ও পোর্টেবল এক্স-রে সুবিধাও নেই। এর ফলে আক্রান্ত রোগীদের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় রেফার্ড করা ছাড়া কোনো উপায় নেই কর্তৃপক্ষের।

এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ ওয়াহীদুজ্জামান বলেন, ‘অক্সিজেন প্ল্যান্ট স্থাপনের কাজ ৯৫ শতাংশ শেষ হয়েগেছে। এখন শুধু ট্যাঙ্ক বসানোর কাজ বাকি। প্ল্যান্টটি চালু হয়ে গেলে অক্সিজেনের আর কোনো সংকট থাকবে না’।

সিভিল সার্জন ডা. একরাম উল্লাহ জানান, বজেলায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের সেবায় ২৩৯টি আইসোলেশন সিট রয়েছে। আমরা তা আরও বাড়ানোর চেষ্টা করছি। পাশাপাশি দ্রুত জেলা সদর হাসপাতালে অক্সিজেন প্লেট চালু করারও চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে’।

     এ ক্যটাগরীর আরো সংবাদ