,

শিরোনাম :
আশুগঞ্জে ৮০ জন নিবন্ধিত জেলে পরিবারের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ আশুগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অক্সিজেন কনসেনটেটর দিল আতাউর রহমান মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন আশুগঞ্জে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি করছে প্রাণিসম্পদ দপ্তর হেফাজতের উপর ভর করে হামলা করেছে বিএনপি-জামাত ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের মানববন্ধন, হেফাজতের সকল সংবাদ বর্জনের ঘোষণা  আশুগঞ্জে হরতালে সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করলেন শিউলি আজাদ এমপি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হরতাল : সংঘর্ষ, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ, নিহত আরো ৪ স্বেচ্ছায় রক্তদানে সকলকে উৎসাহী করে তুলতে হবে : অরবিন্দ বিশ্বাস চট্টগ্রাম বিভাগীয় জয়িতা নির্বাচিত হওয়ায় নিশাত সুলতানাকে সংবর্ধনা দিল ‘আশার আলো’ আশুগঞ্জে ১শ ১০ পাউন্ডের বিশাল কেক কেটে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী পালন

স্কুল খোলার আগে শিক্ষার্থীদের বই পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা

স্কুল খোলার আগে শিক্ষার্থীদের বই পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা
আশুগঞ্জে মাধ্যমিক পর্যায়ের বই এসেছে মোট বরাদ্ধের ১২%, পৌঁছেনি প্রাথমিকের ৩০ হাজার বই

স্টাফ রিপোর্টার : এলোমেলো শিক্ষাপঞ্জিতে এবার বছরের প্রথম দিনে নতুন বই হাতে পাওয়ার আনন্দও মাটি হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। ইতোমধ্যে করোনার কারণে বাতিল করা হয়েছে বই উৎসব। স্কুল খোলার আগে শিক্ষার্থীরা কে কবে নতুন বই হাতে পাবে সেটি নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, স্কুল বন্ধ থাকলেও পৃথক পৃথক ক্লাসের জন্য আলাদা তারিখ নির্ধারণ করে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্কুলে নিয়ে এসে নতুন বই তাদের হাতে তুলে দেয়া হবে।
এ দিকে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বছর করোনার কারণে বই উৎসব বাতিল করা হয়েছে। ফলে প্রতি বছরের মতো এবার ১ জানুয়ারি সব শিক্ষার্থী বই হাতে পাচ্ছে না। ইতোমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। করোনা পরিস্থিতির এ অবস্থায় অব্যাহত থাকলে ছুটি আরো বাড়তে পারে, এমন ধারণাও পাওয়া যাচ্ছে। এই অবস্থায় কবে শিক্ষার্থীরা বই পাবে, এ নিয়ে নানা প্রশ্ন অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে।
এদিকে ১ জানুয়ারির আগে মাধ্যমিক স্তরের সব বই স্কুলে না পৌঁছলেও প্রাথমিক স্তরের সব বই-ই স্কুলে স্কুলে পৌঁছে যাবার কথা থাকলেও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় এরিপোর্ট লিখ পর্যন্ত সব বই পৌঁছেনি।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ খোরশেদ আলম জানান, প্রাক-প্রাথমিকের চাহিদা অনুযায়ী ৮৩ হাজার বই পেলেও ‘এসো লিখতে শিখি’ নামক খাতা এখনো পৌঁছেনি। এছাড়া প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত বইয়ের বরাদ্ধ দেয়া আছে ২৪ লক্ষ। কিন্তু ইতোমধ্যে পেয়েছেন সাড়ে ১৭ লক্ষ বই। এছাড়া সরাইল উপজেলায় তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণীর কোন বই-ই এখনো পৌঁছেনি।
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জানান, ইতোমধ্যে জেলায় মাত্র বরাদ্ধের ৭ পার্সেন্ট বই এসেছে। তবে নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে বই পৌঁছে যেতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
আশুগঞ্জ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ আবুল হোসেন জানান, উপজেলায় মোট বরাদ্ধের মাত্র ১২ পার্সেন্ট বই পাওয়া গেছে। এরমধ্যে মাধ্যমিকের শুধুমাত্র অষ্টম শ্রেণীর ১৭ টি বইয়ের মধ্যে ৭টি বই ছাড়া ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণীর এবং দাখিলের (ষষ্ঠ-নবম) কোন বই-ই এখন পর্যন্ত পৌঁছেনি। এছাড়া ইবতেদায়ীর তৃতীয়, চতুর্থ ও পঞ্চম শ্রেণীর কোন বই পাওয়া যায়নি।
আশুগঞ্জ উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শাহীনা আক্তার জানান, উপজেলায় প্রাক-প্রাথমিকের মোট বরাদ্ধেও ৪৫শ বই পেলেও ‘এসো লিখতে শিখি’ নামক খাতা এখনো পাওয়া যায়নি। এছাড়া উপজেলায় ১ লক্ষ ৩৯ হাজার ৩শ ৫০ মোট বরাদ্ধের মধ্যে ৩০ হাজার বই এখনো পাওয়া যায়নি। আবার পঞ্চম শ্রেণীর ৩টি ও চতুর্থ শ্রেণীর ২টি বিষয়ের বই এখনো আসেনি।
ফলে বছরের শুরুতে এমনকি স্কুল খোলার আগে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই পৌঁছবে কিনা এনিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে।
উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের অনেকেই জানান, স্কুল বন্ধ থাকবে আগামী ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত। এই ছুটি বাড়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। তাহলে স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন আসে শিক্ষার্থীরা তাদের নতুন বছরের বই হাতে পাবে কবে?

     এ ক্যটাগরীর আরো সংবাদ