,

শিরোনাম :
আশুগঞ্জে ৮০ জন নিবন্ধিত জেলে পরিবারের মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ আশুগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অক্সিজেন কনসেনটেটর দিল আতাউর রহমান মেমোরিয়াল ফাউন্ডেশন আশুগঞ্জে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রি করছে প্রাণিসম্পদ দপ্তর হেফাজতের উপর ভর করে হামলা করেছে বিএনপি-জামাত ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবের মানববন্ধন, হেফাজতের সকল সংবাদ বর্জনের ঘোষণা  আশুগঞ্জে হরতালে সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করলেন শিউলি আজাদ এমপি ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হরতাল : সংঘর্ষ, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ, নিহত আরো ৪ স্বেচ্ছায় রক্তদানে সকলকে উৎসাহী করে তুলতে হবে : অরবিন্দ বিশ্বাস চট্টগ্রাম বিভাগীয় জয়িতা নির্বাচিত হওয়ায় নিশাত সুলতানাকে সংবর্ধনা দিল ‘আশার আলো’ আশুগঞ্জে ১শ ১০ পাউন্ডের বিশাল কেক কেটে বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী পালন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হরতাল : সংঘর্ষ, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ, নিহত আরো ৪

স্টাফ রিপোর্টার : মোদি বিরোধী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মুর্কারমে মুসল্লিদের উপর হামলা, চট্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশের গুলিতে বিক্ষোভকারীদের হত্যার প্রতিবাদে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় স্বত:ষ্ফুর্তভাবে হরতাল পালিত হয়েছে।

রোববার ভোর থেকে জেলা শহরসহ বিভিন্ন এলাকায় শান্তিপূর্ণভাবে হরতাল কর্মসূচি পালিত হলেও বেলা বাড়ার সাথে সাথে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে। বিভিন্ন স্থানে পুলিশ-বিজিবি ও সরকার দলীয় লোকজনের সাথে হরতাল সমর্থকদের দফায় দফায় সংঘর্ষ এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
এসময় পুলিশ ও বিজিবির গুলিতে আলামিন (২১), কালন মিয়া (২৩) নামে ২ যুবক নিহত হয়েছে। এছাড়া শনিবারের সংঘর্ষে আহত হয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন আরো দুইজন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালের দেয়া তথ্যমতে এ নিয়ে তিন দিনের আন্দোলনে নিহতের সংখ্যা দাড়িয়েছে ১০ জনে। তবে হেফাজত নেতাদের তথ্য অনুযায়ী নিহতের সংখ্য ১২।

জানা যায়, রোববার দুপুরে সরাইলের বিশ্বরোড মোড়ে হরতাল সমর্থকদের সাথে পুলিশ ও বিজিবির ব্যাপক সংঘর্ষ বাধে। এসময় স্থানীয় মসজিদ সমুহের মাইকে হাইয়া আলাল জিহাদ (জিহাদের জন্য আস) বলে ঘোষণা দেয়া হয়। এ ঘোষণায় স্থানীয় শত শত মানুষ রাস্তায় নেমে আসে। এসময় পুলিশ ও বিজিবির গুলিবর্ষণ করে। এতে সদর উপজেলার বুধল ইউনিয়নের খাটিহাতা গ্রামের হাদিস মিয়া ওরফে কালন মিয়া (২৩) ও সরাইল উপজেলার কুট্টাপাড়া গ্রামের সুফি আলীর ছেলে আল আমীন (১২) গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাদেরকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে তাদের মৃত্যু হয়।
এছাড়া শনিবার বিকালে হরতালের পক্ষে সদর উপজেলার বুধল এলাকায় অনুষ্ঠিত মিছিলে বিজিবি ও পুলিশের গুলিতে বেশ কয়েকজন বিক্ষোভকারী আহত হলে তাদেরকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার সকালে নন্দনপুরের সাদু মিয়ার ছেলে নুরুল আমিন (২২) ও অজ্ঞাতনামা (৪০) এক জনের মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে শনিবার পুলিশ ও বিজিবির গুলিতে নিহত হন নন্দনপুর হারিয়া গ্রামের আব্দুল লতিফ মিয়ার ছেলে ওয়ার্কশপের দোকানী জুরু আলম (৩৫), সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার দাবিড় মিয়ার ছেলে শ্রমিক বাদল মিয়া (২৪), ব্রাহ্মণবাড়িয়া বারিউড়া মৈন্দ গ্রামের জুরু আলীর ছেলে সুজন মিয়া (২২), জামেয়া ইউনুছিয়া মাদরাসার শিক্ষার্থী কাউছার (২৪) ও জুবায়ের (২৪)। তারও আগে শুক্রবার জেলা শহরের কাউতলি এলাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত হন দাতিয়ারা গ্রামের সাগর মিয়ার ছেলে আশিক (২০)।
এ নিয়ে তিন দিনের আন্দোলনে মোট ১০ জন নিহত হবার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার রানা নূরুস সামস। তবে হেফাজত নেতাদের দাবি অনুযায়ী নিহতের সংখ্যা আরো বেশী। হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর ও দারুল আরকান মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা সাজিদুর রহমান জানান শুধু শনিবারেইজেলার বিভিন্ন স্থানে সংর্ঘষে অন্তত ৮জন নিহত হয়েছে।
তাদের দেয়া তথ্যমতে নিহতের তালিকায় আখাউড়া মনিয়ন্দের মাওলানা হোসাইন(২২) ও সদর উপজেলার কলাইমুড়ি এলাকার সুলতান (৩৮) এর নাম বেশী পাওয়া যায়। ফলে প্রকৃত নিহতের সংখ্যা ১০ জন নাকী ১২ জন এ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এদিকে নিহতের খবর ছড়িয়ে পড়লে বিক্ষুব্ধ হরতালকারীরা জেলা শহরের বিভিন্নস্থানে সরকারী-বেসরকারী গুরুত্বপূর্ণ অফিস, আওয়ামীলীগ দলীয় কার্যালয় ও বাড়িঘরে ব্যাপক হামলা, ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটায়। হরতাল সমর্থকরা শহরের হালদারপাড়াস্থ জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয়, জেলা পরিষদ কার্যালয়, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহীর গাড়িসহ ৩টি মোটর সাইকেল, সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন খাঁ পৌর মিলনায়তন, জেলা ক্রীড়া সংস্থা, পৌরসভা ভবন, পৌরসভা গ্যারেজের ৩টি গাড়ি, শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বর, জেলা আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদকের কার্যালয়, জেলা শিল্পকলা একাডেমী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা গণগ্রন্থাগার, সুর সম্রাট ওস্তাদ আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গন, সদর উপজেলা ভূমি অফিস, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আল মামুন সরকারের বাসভবন ও তার শ্বশুরবাড়ি, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রবিউল হোসেন রুবেল, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহাদত হোসেন শোভনের বাড়িতে আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়। এসময় শহরের শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত ভাষা চত্বরে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আয়োজিত উন্নয়ন মেলার ৩২টি স্টলে অগ্নিসংযোগ করা হয়।
এছাড়া ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাব, ব্যাংক অব এশিয়া, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমপ্লেক্স, শহরের আনন্দময়ী কালীবাড়ির মন্দিরের মুর্তি, বিজয়নগর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি জহিরুল ইসলাম ভূইয়ার নিজস্ব অফিস, বিজয়নগর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নাসিমা মুকাই আলীর শহরের হালদারপাড়াস্থ বাসভবন, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর, মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র, দলিল লেখক সমিতি, ঠিকাদার খাইরুল আলমের বাসভবনে ব্যাপক ভাংচুর চালানো হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে হামলার সময় প্রেসক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামি গুরুতর আহত হন।

এদিকে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শহরের পৈরতলা, জেলা পুলিশ লাইন, কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়ক এলাকাসহ বিভিন্ন স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে বিক্ষোভকারীদের ব্যাপক সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
দুপুর ১২টার দিকে শহরের পীরবাড়ি এলাকায় পিকেটিং এর সময় হরতাল সমর্থকদের সাথে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংঘর্ষ বাধে। এসময় ব্রাহ্মবাড়িয়া পুলিশ লাইনে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে হরতাল সমর্থকরা। পরিস্থিতি সামাল দিতে ঘন্টাব্যাপী পুলিশ রাবার বুলেট ও টিয়ারগ্যাস নিক্ষেপ করে। হামলা চলাকালীন সময়ে শহরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোন সদস্যকে দেখতে পাওয়া যায়নি। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে থানা মসজিদ থেকে পুলিশের পক্ষ থেকে মাইকিং করে থানায় হামলা না চালানোর জন্য মাদ্রাসার ছাত্রদের অনুরোধ করা হয়।

এছাড়া রোববার সকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চট্টগ্রামগামী সোনার বাংলা এক্সপ্রেসে ভাঙচুর চালানো হয়। খুলে ফেলা হয় রেললাইনের নাট-বল্টু। লাইনের ওপর কংক্রিটের স্ল্যাবও ফেলে রাখে হরতালকারী আশুগঞ্জ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাঝখানে ১৮নম্বর রেলসেতুতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। ফলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেট, নোয়াখালীর পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
রেলের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন) সরদার সাহাদাত আলী সাংবাদিকদের জানান, নিরাপত্তার কারণে সকাল নয়টার পর থেকে ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট পথে ট্রেন চলাচল বন্ধ আছে। রেলওয়ে সূত্র জানায়, সকাল আটটার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া হয়ে ঢাকার পথে একটি মালবাহী ট্রেন আসে। এরপর ঢাকা থেকে সিলেটমুখী পারাবত এক্সপ্রেস ট্রেন যায়। এরপর আর কোনো ট্রেন চলাচল করেনি। সোনার বাংলা এক্সপ্রেস ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশনের কাছাকাছি হামলার মুখে পড়লে ট্রেনটিকে ফিরিয়ে ভৈরব নিয়ে আসা হয়। এটি ঢাকায় ফিরিয়ে নেয়া হবে। রেল কর্মকর্তারা জানান, চট্টগ্রামমুখী মহানগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি আটকে আছে নরসিংদীর আমিরগঞ্জে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পথে যাওয়া তিতাস কমিউটার ট্রেন দাঁড় করিয়ে রাখা হয় নরসিংদীর ঝিনারদিতে। নোয়াখালী থেকে ঢাকার পথে আসা উপকূল এক্সপ্রেস আটকে রয়েছে আখাউড়ায়। সুবর্ণ এক্সপ্রেস ট্রেন চট্টগ্রাম থেকে আসলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় থামিয়ে রাখা হয়। সিলেট থেকে ঢাকামুখী কালনী এক্সপ্রেস রাখা হয় হবিগঞ্জের আজমপুরে। চট্টগ্রাম থেকে ময়মনসিংহের পথে চলাচলকারী বিজয় এক্সপ্রেস কুমিল্লায় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। ঢাকা থেকে ছেড়ে যাওয়া মেইল ট্রেন কর্ণফুলী এক্সপ্রেস আটকে থাকে নরসিংদী স্টেশনে। এর আগে শনিবার সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সংঘর্ষের পর নিরাপত্তা ঝুঁকিতে প্রায় তিন ঘণ্টা ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকে। গত শনিবার থেকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া স্টেশনে সব ধরনের আন্ত:নগর ট্রেনের যাত্রাবিরতি বাতিল করা হয়েছে। রেলওয়ে কর্মকর্তারা বলছেন, আন্ত:নগর ট্রেনে যাত্রী ওঠানামার সময় নাশকতা হতে পারে এমন আশঙ্কা থেকেই যাত্রাবিরতি বন্ধ রাখা হয়েছে।

রোববার সকালে হরতালের সমর্থনে সকালে হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীর মাওলানা সাজিদুর রহমানের নেতৃত্বে জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়। মিছিলটি শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে প্রেসক্লাবের সামনে এক সংক্ষিপ্ত সভা করে। বক্তব্য রাখেন হেফাজত ইসলামের কেন্দ্রীয় উপদেষ্টা ও জেলার সাধারণ সম্পাদক ও জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুফতি মোবারক উল্লাহ, জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদ্রাসার শিক্ষা সচিব মাওলানা শামসুল হক, কওমী প্রজন্ম ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুখপাত্র হাফেজ মুফতি এরশাদুল্লাহ প্রমূখ।

এদিকে সকালে জেলার আশুগঞ্জে হেফাজতের লোকজন একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করলে মিছিলটি থেকে আশুগঞ্জ সৈয়দ নজরুল ইসলাম টোলপ্লাজায় হামলা চালানো হয়। একপর্যায়ে হামলাকারীরা টোলপ্লাজা ভাঙচুর করে। পরে তারা টোলের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশ ফাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। এছাড়া মহাসড়কের ওপর নির্মিত বঙ্গবন্ধুর ছবি সংবলিত আওয়ামীলীগনেতাদের বেশ কয়েকটি তোরণ ভেঙে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। এসময় স্থানীয় আওয়ামীলীগের সাথে হরতাল সমর্থকদের ৪ ঘন্টাব্যাপী সংগর্স হয়। হরতাল সমর্থকরা উপজেলা আওয়ামী লীগ এর আহবায়ক হাজি সফিউল্লাহ মিয়া ও যুগ্ম আহবায়ক আবু নাছের আহমেদ এর বাড়িতেও হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। এর আগে রোববার ভোর থেকে হরতাল সফল করতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে অবস্থান নেন উপজেলার স্থানীয় শীর্ষ উলামাসহ মাদরাসার ছাত্র, শিক্ষক ও সাধারণ জনতা। এছাড়া জেলার নবীনগর, কসবা, আখাউড়া ও নাসিরনগরসহ বিভিন্ন উপজেলায় স্বত:ষ্ফুর্তভাবে হরতাল পালিত হয়েছে।

     এ ক্যটাগরীর আরো সংবাদ